দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, যারা যেনতেনভাবে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায় তাদের সঙ্গে আমরা একমত নই। আমরা সবার আগে চাই দুর্নীতিবাজ, জুলুমবাজ ও গণহত্যাকারীদের বিচার। এ জন্য আমরা বলেছি আগে বিচার, তারপর সংস্কার এবং সর্বশেষ নির্বাচন হবে।
শনিবার (৩১ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, এ টি এম আজহারুল ইসলামের বিচার একটি সুবিচার হয়েছে। যারা অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে, ওই দল ও তাদের সঙ্গে যারা জড়িত সকলের বিচার হওয়া উচিৎ। আমরা সরকারকে বলবো আগে বিচার হবে, এরপর সংস্কার এর পরে নির্বাচন হতে হবে। যারা বিচার চায় না, শুধু তারাতাড়ি নির্বাচন চায়, সংস্কার চায় না আমরা তাদের সঙ্গে নেই।
২০১৪ সালে হলো বিনা ভোটের নির্বাচন, ২০১৮ দিনের ভোট রাতে হলো এবং ২০২৪ সালে নিজেরা নিজেরা ভোট দিয়ে ডামি নির্বাচন করেছে।
এই সময় তিনি দাবি করেন বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচন চায়, তবে যেনতেন নির্বাচন চায় না। আমার ভোট আমি দিবো, যাকে ইচ্ছে তাকে দিবো। কিন্তু তাদের স্লোগান ছিলো তোমারটাও আমি দিবো। এভাবে তারা ভোটকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এতএব ভোট ব্যবস্থা ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে জীবন্ত করতে হবে। মৃত গণতন্ত্র মৃত ভোট ব্যবস্থা দিয়ে দেশে নির্বাচন হলে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন হবে না। সেই জন্য আমরা সরকারকে বলবো রিফরমেশনের আগে নির্বাচন হবে না।
তিনি বলেন, বিচাররের আগে নির্বাচন হবে না। এটা আমরা জোর গলায় বলতে চাই। দেশের মানুষ নির্বাচন চায় তবে যেনো তেনো নির্বাচন চায় না। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মদিনার আদলে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। এ সময় তিনি কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

দুই দশক পর প্রকাশ্যে খোলা মাঠে কর্মী-সমর্থক নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর এ কর্মী সম্মেলন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সামিউল হক ফারুকী, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সকার সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খান, জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির মোসাদ্দেক আলী ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রোকন রেজা শেখ, জেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি খালেদ হাসান জুম্মন, সদর জামায়াতে ইসলামী আমির কারী নজরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
কর্মী সম্মেলন উপলক্ষে সকাল থেকে জেলার ১৩টি উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
কে