দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
দালালদের খপ্পরে পড়ে ভারতে পাচার হওয়া এক নারী এবং ৩৫ জন শিশু ও কিশোর কিশোরীসহ ৩৬ জন বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে। এদের মধ্যে ১৫ জন শিশু ও কিশোরী এবং ২০ জন কিশোর এবং ১ জন নারী।
ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেল ৫টার সময় তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এসব শিশু কিশোরদের অনেকের পিতা-মাতা এখনো ভারতের জেল খানায় আটক রয়েছে।
পাচারের শিকাররা কারাভোগের পর ভারতের বিভিন্ন শেল্টার হোমে ছিলেন। ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
পাচারের শিকার তাহমিনা বলেন, আমরা যারা আজ দেশে ফিরেছি আমাদের পিতা-মাতারা এখনো অনেকে ভারতের জেল খানাসহ বিভিন্ন শেল্টার হোমে রয়েছে। আমরা দালালদের মাধ্যেমে বেনাপোলসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথে অভিভাবকদের সঙ্গে ভারতে গিয়ে আটক হই। এরপর আদালতের রায়ে আমরা জেল খানায় যাই। সেখানকার এনজিও সংস্থা আমাদের ছাড় করিয়ে বিভিন্ন শেল্টার হোমে রাখে। সেখানে ৬ মাস থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত থেকে আজ দেশে ফিরেছি।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন এর উপ-পরিদর্শক সাহাদত হোসাইন বলেন, এরা বিভিন্ন সীমান্ত পথে পাচার হয়ে ভারতে যায়। এরপর সে দেশে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে জেল খানায় যায় আদালতের মাধ্যেমে। তারপর সেখান থেকে সেদেশের বিভিন্ন এনজিও তাদের ছাড় করিয়ে বিভিন্ন শেল্টার হোমে রাখে। বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরে আসে।
বেনাপোল পোর্ট থানা ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাদের থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বেসরকারী এনজিও সংস্থা রাইটস যশোর, জাস্টিস এন্ড কেয়ার, যশোর মহিলা আইনজীবি সমিতি ও পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
যশোর মহিলা আইনজীবি সমিতির এরিয়া কোয়াডিনেটর রেখা রানী বলেন, পাচার শিকার শিশু কিশোর ও কিশোরীদের আমরা সে দেশের সরকারের সাথে যোগাযোগ করে দেশে ফেরত এনেছি। এর মধ্যে আমরা ৭ জন, পাচারের শিকার মানব উদ্ধার ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা ৬ জন যশোর রাইটস যশোর ১০ জন এবং জাস্টিস এন্ড কেয়ার ১৩ জনকে গ্রহণ করেছি। আমরা তাদের যশোর নিজেদের শেল্টার হোমে রেখে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করব। এবং কেউ যদি আইনি সাহয্য নেয় তবে তাদের সহায়তা দেওয়া হবে।
কে