দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়া শহরের হরিশংকরপুরে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী মেঘলা খাতুন (৩০)-কে কুপিয়ে হত্যা করে বড় মেয়ে কুলসুম (৪) ও ছোট মেয়ে জান্নাত (২)-কে আছাড় মেরে হত্যাচেষ্টার পর মামুন নামের এক যুবক গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত ৯টার দিকে হরিশংকরপুরে মামুনের নিজ বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। মামুন পেশায় রংমিস্ত্রি। তিনি হরিশংকরপুর এলাকার নবিউলের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মামুনের স্ত্রী মেঘলা পরকীয়ায় লিপ্ত ছিল। পরপুরুষের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। এ নিয়ে মাঝে মধ্যেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। বেশ কিছুদিন আগে ঢাকায় এক ছেলের সঙ্গে তিনি চলে যায়। গত কয়েকদিন আগে মেঘলা আবার হরিশংকরপুরে স্বামী মামুনের বাড়িতে ফিরে আসে। এরই জের ধরে সন্ধ্যার পর স্ত্রীকে বেধড়ক মারপিট করে এবং কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করে মামুন। পরে দুই কন্যা শিশুকে আছাড় মারে। এতে তারা তিনজনই গুরুতর আহত হয়। এরপর মামুন ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা চেষ্টা করেন।
পরে স্থানীয়রা তাদের ৪ জনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রী মেঘলা খাতুনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজীব হাসান বলেন, আহত ৪ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেঘলা নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। বাকী ৩ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন তারা। তদন্ত করার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
আরএ