দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাক-ভারতের চলমান সংঘাতের সঙ্গে উপমহাদেশের চলতি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ভোমরা ও ঘোজাডাঙ্গা স্থল বন্দরে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক থাকলেও রাজস্ব আয়ে ভাটার টান পড়েছে।
উদ্ভূত যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব না পড়লেও ভারতীয় কম সংখ্যক আমদানি পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে এ বন্দরে। ফলে আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কমেছে আমদানি-বাণিজ্য। অধিক রাজস্ব আহরণের কোনো পণ্য আমদানি না হওয়ায় কমেছে রাজস্ব আয়।
ভোমরা কাস্টম সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে আমদানি বাণিজ্য প্রায় তলানিতে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভোমরা বন্দর থেকে রাজস্ব আর্জনের লক্ষে ৯৪৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। কিন্তু প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও সরকার চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৮৮৯ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কাস্টমস সূত্র আরও বলছেন, আমদানি বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকলে অর্থবছরের শেষার্ধে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৭ হাজার ২২৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা আমদানি মূল্যের ওপর ৮৮৯ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
তিনি আরও জানান, অর্থবছরের এখনও প্রায় আড়াই মাস বাকি রয়েছে। পরিস্থিতি ভালো থাকলে লক্ষ্যমাত্রার অবশিষ্ট ৫৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পূরণ হয়েও অধিক রাজস্ব অর্জন করা সম্ভব হবে।
এদিকে ভোমরা আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের এ কর্মকর্তা বলেন, পাক-ভারতের যুদ্ধের পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে নানামাত্রিক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া আমদানি-রপ্তানি খাত ছাড়াও বিনিয়োগ কর্মসংস্থান ও শেয়ার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
অপরদিকে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক রুহুল আমিন বলেন, আমদানি রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষে ব্যবসায়ীদের জন্য ভোমরা বন্দরে ব্যবসাবান্ধব অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আমদানি বাণিজ্য গতিশীল রেখে রাজস্ব প্রদানের মধ্যে দিয়ে দেশের অর্থনীতির অবস্থানকে সুদৃঢ় করতে পারে।
আরএ