দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক দুই বারের জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠানকে লাঠিপেটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
বুধবার (৭ মে) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক অজ্ঞাত যুবক তার দুই হাত চেপে ধরে রাখছেন। এ সময় মাক্স পড়া অপর এক যুবক তাকে লাঠিপেটা করছেন।
১৩ সেকেন্ডের এ ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি নিয়ে নেট দুনিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এতে নেটিজেনরা ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, একজন প্রবীণ রাজনীতিককে এভাবে হেয় করা ঠিক হয়নি। অনেকে মন্তব্য করছেন, একজন প্রবীণ শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতাকে এভাবে পেটানো ঠিক হয়নি।
অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান। ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন।
ভাইরাল ভিডিও’র বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করেও এনিয়ে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, লাঠিপেটার ভিডিওটি ঢাকার কোনো একটি এলাকার। কিছুদিন আগে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে এই আওয়ামী লীগ নেতার পরিচয় প্রকাশ হলে তারা তাকে আটক করে। এ সময় তাকে লাঠিপেটা করে মধ্যস্থতার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ঘটনার সত্যতার বিষয়ে দায়িত্বশীল কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নগরীর মহারাজা রোড এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ জানান, বিগত ৫ আগস্ট থেকে ইউসুফ খান পাঠান ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান বলেন, এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক। আমরা তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছি। আমিও শুনেছি তাকে লাঠিপেটা করা হয়েছে। তবে ঘটনাটি ময়মনসিংহের নয়।
আরএ