দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন দমাতে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জিডি করার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টায় মশাল মিছিলের পর মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, চার দফা দাবিসহ শিক্ষার্থীদের নামে করা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য তারা বারবার দাবি জানিয়ে আসছে। তবে প্রশাসন এ বিষয়ে নির্বিকার থাকায় শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে নামতে বাধ্য হয়েছে বলে জানায় তারা।
এদিকে ২ ঘণ্টা কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়ক আটকে রাখলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কেউ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তবে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে আসলে শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যায়নি। সড়কে প্রায় কয়েকশ’ শিক্ষার্থী জড়ো হন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বারবার আলোচনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী জাহিদ সাকিন তার বক্তব্যে বলেন, উপাচার্যের স্বেচ্ছাচারিতার বিরূদ্ধে আমরা আন্দোলন করে আসছি। তার বরাবর আমরা চারদফা দাবির স্মারকলিপি দিয়েছে। কিন্তু উপাচার্যের এ বিষয়ে কোনো কর্ণপাত নেই। একজন উপাচার্য কিভাবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে? সে আর যাই হোক শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।
তিনি আরও বলেন, আমরা জানি মহাসড়ক অবরোধে মানুষের ভোগান্তি হবে। কিন্তু আমরা সত্যিই অসহায়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোকাব্বেল শেখ বলেন, আপনি (উপাচার্য) এসির বাতাস খাচ্ছেন। আমরা সংকটে ভুগিতেছি। আপনাকে তো পাওয়া যায় না। আপনি মাসের পর মাস ঢাকায় থাকেন। সরকার কি লাখ লাখ টাকা দেয় পরিবারের সঙ্গে কাটাতে। ফ্যাসিবাদের বিরূদ্ধে শিক্ষার্থীরা কোনো আপস করেনি। ভবিষ্যতেও করবো না। মামলার ভয় দেখিয়ে আমাদের লাভ নাই। আমাদের দাবি মেনে নিন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সোনিয়া খান সনিকে একাধিকবার কল করলেও তিনি কোনো রেন্সপন্স করেননি।
আরএ