দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর বাউফলে সালিশে দাওয়াত না দেওয়ায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে।
ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জসিম পঞ্চায়েতের (৪৫) বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাকে দাওয়াত না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এ হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালাইয়া ইউনিয়নের কপুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা জাকির হাওলাদার তার ভাতিজা মাহবুব হাওলাদার ও রিয়াজ হাওলাদারের বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ তদন্তে গেলে দুই পক্ষই বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করার অনুরোধ জানায়। এরপর মফিজ মাতব্বরকে সালিশদার মেনে উভয় পক্ষ একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। মঙ্গলবার বিকেলে সালিশ শুরু হওয়ার কিছু সময় পরেই অভিযুক্ত জসিম পঞ্চায়েত তার কয়েকজন সহযোগিসহ সেখানে উপস্থিত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সালিশে দাওয়াত না পেয়ে ক্ষিপ্ত হন জসিম। আগে তিনি নিজে সালিশ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু তাকে না ডেকে মফিজ মাতব্বরকে সালিশদার করা হয়। এই কারণেই দলবল নিয়ে হামলা চালান তিনি।
সাক্ষীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জসিম এসে প্রথমেই সালিশ পণ্ড করে দেন। পরে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বলেন, আওয়ামী দোসরদের দিয়ে সালিশ হবে না। ইউনিয়নে বিএনপি নেতাদের ছাড়া কেউ সালিশ করতে পারবে না। এরপর তিনি মফিজ মাতব্বরকে গালাগালি ও মারধর করেন।
অভিযুক্ত জসিম পঞ্চায়েত মোবাইল ফোনে দেশ টিভির প্রতিনিধিকে বলেন, এটা মিথ্যা এবং বানোয়াট। এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটা আমার বিরুদ্ধে এক ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে কিছু কুচক্রী মহল। যাতে আমার ইমেজ নষ্ট হয়।
এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) ভুক্তভোগী মফিজ মাতব্বর (৪৩) বিকেলে বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে পুলিশ সেটিকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে গ্রহণ করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরএ