দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বশিরের অফিসের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খায়রুল আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফখরুল ইসলাম ইমন উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামের বজলু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ সেপ্টেম্বর ১১৮ জনকে আসামি করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে মামলা দায়ের করেন নাসিরনগর উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব শাহ আলম পাঠান। সেই মামলার ৫৩ নম্বর আসামি ইমন। ৫ই আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা এলাকা ছাড়া হলেও মামলার আসামি হয়েও ইমন প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়াতেন।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার উপ-পরিদর্শক কুদ্দুস আলী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিস্ফোরক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি ইমনকে গ্রেপ্তারে উপজেলা সদরের পশ্চিম পাড়ার এলাকার পশু হাসপাতাল মোড়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি চায়ের দোকানে আড্ডারত অবস্থায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বশিরের অফিসের সামনে থেকে পুলিশের হাতে আটক হয় ইমন। তখন সে নিজেকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে এম বশিরের ভাতিজা হিসেবে পরিচয় দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করে। পরে আমরা কে এম বশিরের সাথে কথা বলে ইমনের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসি।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল আলম বলেন, ইমন নাসিরনগর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সে ৪ আগস্ট ছাত্রজনতার উপর হামলা ও বিস্ফোরণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামী। এছাড়াও ইমন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে গোপনে সংগঠিত করার কাজ করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এফএইচ/