দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এটিএন বাংলার জেলা প্রতিনিধি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিউজের সম্পাদক সাংবাদিক ইসহাক সুমনের ওপর হামলার ঘটনায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। হামলার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ইউনিয়ন ও আশুগঞ্জ প্রেস ক্লাব তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে জেলার আশুগঞ্জ থানায় সাংবাদিক সুমন নিজেই বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন- জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দিলু মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া, আতাবউল্লাহ মিয়ার ছেলে সালাউদ্দিন, জিল্লু মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া ও লালু মিয়া, কুদ্দুস মিয়ার ছেলে আশরাফুল ইসলাম ও কামাল মিয়া, লীল মিয়ার ছেলে মিলন মিয়া ও জীবন মিয়া, শফিকুল ইসলামের ছেলে বোরহান উদ্দিন।
মামলা এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দূর্গাপুরে পূর্ববিরোধের জের ধরে ২৭ মার্চ দুই গোষ্ঠীর মারামারি হলে ৬ এপ্রিল ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাজ্জাদ হোসেন নামে একজনের মৃত্যু হয়। এরই জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়িঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এসব ঘটনার সংবাদ সংগ্রহের জন্য ৭ এপ্রিল বিকেলে দূর্গাপুরে গিয়ে বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলার সময় বিনা উসকানিতে কিছু লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে রক্তাক্ত জখম হয়। এসময় পুরো শরীরে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে জখম করা হয়। এছাড়া সাংবাদিকের সঙ্গে থাকা ক্যামেরা ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় আসামিরা। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা হুমকি দিয়ে চলে যায়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহা. বিল্লাল হোসেন বলেন, বাদীর টাইপ করা এজাহার পেয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
আরএ