দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে ১৪ বছরের এক কিশোরী।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়ার নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুক্তা গোস্বামী শুক্রবার বিকেলে পৌর এলাকার নয়নপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন। কনে স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্রী।
স্থানীয় লোকজন ও সদর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকার ভাদুঘর এলাকার দক্ষিণপাড়ার বরকত আলীর ছেলে মো. নিলয়ের-(২০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে পৌর এলাকার নয়নপুর এলাকার ওই অপ্রাপ্ত বয়সের কিশোরীর বিয়ের তারিখ নির্ধারণ হয়। দুই পক্ষের নির্ধারণ করা তারিখ অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরের ওই কিশোরীর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজন এই বাল্য বিয়ের বিষয়ে সদর উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়ার নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুক্তা গোস্বামী বিয়ের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। গোপন সংবাদের মাধ্যমে কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে বরপক্ষের যাত্রা সংবাদ পান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। দুপুরের দিকে কনের বাড়িতে হাজির হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুক্তা গোস্বামী। সেখানে অভিযান চালিয়ে এই বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন তিনি। বাল্য বিয়েতে রাজি হওয়ায় ছেলের বাবাকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুক্তা গোস্বামী বলেন, কনে অপ্রাপ্ত বয়সের। তার বয়স মাত্র ১৪ বছর। কনের দাদা আনসার আলী ও বরের বাবা বরকত আলী আর বাল্য বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৮ ধারায় ছেলের বাবাকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উভয়পক্ষ মুচলেকা দিয়েছেন।
এফএইচ/