দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলপথে একটি বিশেষ ট্রেন চালু ও বেশ কয়েকটি আঃন্তনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি, ট্রেনের আসন বাড়ানো, কালোবাজারি বন্ধের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রেলপথ অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। সকাল সোয়া দশটায় সম্মিলিত সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যানারে সাধারণ মানুষ এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।
এ সময় ঢাকাগামী আন্তনগর সুবর্ণ এক্সপ্রেস আখাউড়া স্টেশনে আটকা পড়ে। প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ তুলে নিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা নাগরিক ফোরাম গত সাত বছর ধরে এই দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল। জেলা সদরের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এক হয়ে শুক্রবার আন্দোলনে নামেন। ইউএনও, ওসিসহ প্রশাসনের লোকজন ছুটে এসে আন্দোলনকারিদেরকে সরিয়ে নেন।
বিক্ষোভকারীরা জানান, দেশের পূর্বাঞ্চলের রেলপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। যেখান থেকে সরকার প্রতিবছর বিপুল অংকের রাজস্ব পেয়ে থাকে। অথচ সে হিসেবে বাড়েনি যাত্রী সেবার মান। এসব রেলপথে চলাচলের জন্য যে পরিমাণ ট্রেন যাত্রা বিরতি করছে তা নগন্য। এতে জেলাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন যাত্রাবিরতীর দাবি জানিয়ে আসলেও কর্তৃপক্ষ কেবল আশ্বাসেই দিন অতিবাহিত করেছেন। ফলে বাধ্য হয়েই তাদেরকে রেলপথ অবরোধের মত কঠোর কর্মসূচি হাতে নিতে হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা আরো জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না এলে আগামী দিনে আরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
ইউএনও সিফাত মো. ইসতিয়াক ভূঁইয়া বলেন, 'এসব দাবি বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয় আগেই সংশ্লিষ্টদেরকে অবহিত করেছেন। আজকের এ আন্দোলন বিষয়েও অবহিত করা হবে। আমাদরের আশ্বাসে ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আন্দোলনকারিরা সরে গেছেন।'