দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পারিবারিক কলহের জেরে গাজীপুর সদর উপজেলার শিরিরচালা এলাকায় নানি ও নাতনির শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে দগ্ধ হয়েছেন তারা। রোববার (১৮ জুন) এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন– শিরিরচালা এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে সানজিদা আক্তার (১৩) এবং তাঁর নানি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কাণ্ডপাশা গ্রামের ইউনুস তালুকদারের স্ত্রী বেবী বেগম (৫৫)। তাঁদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বজনরা জানান, সানজিদা স্থানীয় হাজী নুরুল ইসলাম মডেল একাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবা মনিরা আক্তার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। ওই নারীর প্রথম স্বামীর ঘরে জন্ম নেওয়া শুভ মিয়া এক মেয়েকে নিয়ে শফিকুলের বাড়িতে ওঠেন। মনিরা বিষয়টি গোপন রাখলেও সানজিদা তার বাবাকে বলে দেয়। পরে শুভকে বাড়ি থেকে বের করে দেন শফিকুল। এ নিয়ে তার সঙ্গে মনিরার বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে বাড়ি থেকে মনিরা চলে যান এবং শফিকুলকে তালাকনামা পাঠান। মেয়ের দেখভালের জন্য ১০-১২ দিন আগে প্রথম পক্ষের শাশুড়ি বেবি বেগমকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। রোববার দুপুরে নানির সঙ্গে স্কুল থেকে ফিরছিল সানজিদা। এ সময় শুভ ও তার বন্ধু সাব্বির বোমাসদৃশ বস্তুতে পেট্রোল মিশিয়ে আগুন ধরিয়ে নানি ও নাতনির ওপর নিক্ষেপ করে। স্থানীয়রা তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাদের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক।
শফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসক জানিয়েছেন, দু’জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
জয়দেবপুর থানার ওসি মাহতাব উদ্দিন বলেন, স্বজনরা দগ্ধদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এখনও লিখিত অভিযোগ দিতে পারেননি। তবে অভিযুক্ত শুভ ও সাব্বিরকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।