দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরগুনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্সদের কাছ থেকে শ্রান্তিবিনোদন ছুটি ও ভাতা মঞ্জুরের নামে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে প্রধান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘুষ না দেওয়ায় ২৭ জন নার্সের ছুটি ও ভাতা আটকে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ. কে. এম নজমুল আহসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমরা তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী নার্সরা জানান, ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর যারা চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাদের তিন বছর পূর্ণ হয় ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। নিয়ম অনুযায়ী তারা শ্রান্তিবিনোদন ছুটি ও ভাতা পাওয়ার কথা। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও রফিকুল ইসলাম কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং জনপ্রতি ১,২০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী নার্সরা আরও জানান, টাকা দিলে কাজ হতো। না দেওয়ায় আমাদের ছুটি ও ভাতা আটকে রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অফিসে কিছুটা দেরি হয়েছে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। ঘুষের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কেউ মিথ্যা অভিযোগ করতেই পারে।
এ বিষয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নজমুল আহসান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরএ