দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। শীতের দাপটে ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেঁকে গেছে সমগ্র জেলা।
আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
দিনের বেলা সুর্যের উত্তাপ না থাকার কারণে সন্ধ্যার পর থেকেই হিমেল বাতাসে তাপমাত্রা আরও নিম্নগামী হওয়ায় তীব্র শীত অনুভূত হয়। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছে অতি দরিদ্র ও খেটে খাওয়া বিভিন্ন পেশার শ্রমজীবীরা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লোকজন তেমন একটা ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছে না। গ্রামাঞ্চলের দরিদ্ররা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছে। শৈত্য প্রবাহের কবলে পড়েছে জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১৬টি নদ-নদীর তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের কয়েক লাখ অতিদরিদ্র মানুষগুলো।
কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুরের ঘোড়ার গাড়ি চালক সিরাজ মিয়া বলেন, আজ প্রচণ্ড শীত পরেছে। এই শীতে ঘোড়ার গাড়িতে উঠে ঠান্ডা বাতাসে হাত-পা অবশ হয়ে যাচ্ছে। শীত ও ঘন কুয়াশায় ঘোড়াগুলো চলতে পারছে না। ভাড়ায় মিলছে না ঠিকমতো! কিন্তু কাজ না করে তো উপায় নেই।
সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের আলেয়া বেওয়া বলেন, ঠান্ডায় আমাদের অবস্থা ভয়াবহ! কনকনে ঠান্ডায় হাত-পা কাঁপছে। সাংসারিক কাজকর্ম করা খুবই অসুবিধা হচ্ছে। শীতবস্ত্রের অভাবে খড় জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছি।
কুড়িগ্রাম আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, কয়েকদিন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করার পর আজ জেলা জুড়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। যা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
আরএ