দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী (জরুন) এলাকায় কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানা বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে স্থায়ীভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের ১ মে থেকে কারখানাগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) জরুন এলাকার কেয়া গ্রুপের কারখানা গেইটে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কসমেটিকস লিমিটেড (নিট কম্পোজিট ডিভিশন) স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ টাঙ্গিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নোটিশে বলা হয়েছে, এতদ্বারা কেয়া কসমেটিকস্ লিমিটেড (নীট কম্পোজিট গার্মেন্টস ডিভিশন, নিটিং বিভাগ, স্পিনিং ডিভিশন, কটন ডিভিশন) ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস্ লিঃ (জরুন, কোনাবাড়ি, গাজীপুর) এর সকল শ্রমিক ও কর্মকর্তাগণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বর্তমান বাজার অস্থিতিশীলতা, ব্যাংকের সঙ্গে হিসাবের অমিল, কাঁচামাল অপর্যাপ্ততা এবং ফ্যাক্টরির উৎপাদন কার্যক্রমের অপ্রতুলতার জন্য আগামী ১ মে থেকে ফ্যাক্টরির সকল কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ফ্যাক্টরিতে কর্মরত সকল শ্রমিক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, ধারা (২৬) ২০১৫, ২০১৮ এবং ২০২২ এর বিধি অনুযায়ী সকল পাওনাদি কারখানা বন্ধের পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কর্ম দিবসের মধ্যে প্রদান করা হবে।'
এর আগে ২৯ ডিসেম্বর থেকে নভেম্বর মাসের বকেয়া বেতনসহ ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করে আসছেন শ্রমিকরা। কয়েক হাজার শ্রমিক কারখানার সামনে কোনাবাড়ি কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করেন। সেদিন বেতন না দিয়ে বন্ধের নোটিশ পেয়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারের পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন।
ওইদিন যৌথ বাহিনীর সহায়তায় মালিক শ্রমিক পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে দাবিগুলো মেনে নেয় মালিক পক্ষ। দাবির প্রেক্ষিতে সাময়িক বন্ধ থাকায় কারখানা ১ জানুয়ারি কারখানা খুলে দিয়ে নতুন করে বন্ধের ওই নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ।
কারখানার মানব সম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বাজার অস্থিতিশীলতা, ব্যাংকের সঙ্গে হিসাবের অমিল, কাঁচামাল অপর্যাপ্ততা এবং ফ্যাক্টরীর উৎপাদন কার্যক্রমের অপ্রতুলতার কারণ দেখিয়ে আগামী ১ মে থেকে কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এরমধ্যে কয়েকটি ধাপে শ্রমিকদের সকল পওনা শ্রম আইন অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে।