দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এম নার্গিস আক্তারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দিনব্যাপি অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
রোববার (১৫ ডিসেম্বর) নগরীর সাবেক অধ্যক্ষ এম নার্গিস আক্তারকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে সকাল থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শীতকালীন ছুটি বাতিল করে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
বিগত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের মুখে পদত্যাগ করেন কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এম নার্গিস আক্তার। পরে জেলা প্রশাসকের নিয়োগকৃত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা আক্তার।
এদিকে অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ নার্গিসের বিগত দশটি বছর বিভিন্ন অনিয়ম করছে। অন্যায়ভাবে তিনি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নানাভাবে হয়রানি করেছে। এ ছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বাধা সৃষ্টি করেছে। তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। আমরা চাই জেলা প্রশাসন তদন্ত করে পুনরায় রিপোর্টটি প্রকাশ করুন।
কলেজের জীব বিজ্ঞানের শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী বলেন, এটা কোনো ছাত্রদের মবের বিষয় নয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন প্রায় ৬ মাস তদন্ত করে ২৬টির বেশি অভিযোগে অভিযুক্ত হয়। ২৪’র নতুন বাংলাদেশে একজন শিক্ষক হিসেবে দুনীর্তিবাজকে প্রতিষ্ঠানে আমরা চাই না।
বাংলা বিভাগের শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুনীর্তির পক্ষে সমর্থন ২৪’র নতুন বাংলাদেশের অন্তরায়। আমরা শিক্ষক হিসেবে দুনীর্তির বিপক্ষে অবস্থান করছি। একজন প্রমাণিত দুনীর্তিবাজের শাস্তি হবে স্থায়ী বহিষ্কার। জেলা প্রশাসন তার দুর্নীতির চিত্র সমাজকে জানানোর দাবি করেন শিক্ষকরা। এ সময় অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এম নার্গিস আক্তার বলেন, আমি ডিসি অফিসে আছি। এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।
কুমিল্লায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বর্তমান অধ্যক্ষ (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাহমিদা আক্তারকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আরএ