দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে স্বামীর বাড়িতে অনশন। না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছে তরুণী।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন ওই তরুণী। অনশনে বসা তরুণীর নাম তানিয়া আক্তার (২৪)। তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী উপজেলার বিটেক গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে।
অভিযুক্ত যুবকের নাম ফয়সাল আহমেদ পাপ্পু। সে নয়ানগর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করাকালীন সময়ে নয়ানগর গ্রামের ফয়সাল আহমেদ পাপ্পুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয় পড়েন তানিয়া। পরে তারা দুজনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের কয়েক বছর পর স্বামী মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে স্বামীকে ডিভোর্স দেন তানিয়া। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর পাপ্পু মাদক ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তানিয়াকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে পুনরায় গত ২০২২ সালে তাঁদের পুনরায় বিয়ে হয়। বিয়ে করে তানিয়াকে নিয়ে ফেনী জেলায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন পাপ্পু।
গত ৬ মাস ধরে তানিয়াকে ভাড়া বাসায় রেখে চলে যান পাপ্পু এবং তানিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তানিয়া বিভিন্নভাবে পাপ্পুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। উপায় না পেয়ে মঙ্গলবার তানিয়া বাবার বাড়ি পাহাড়তলী উপজেলার বিটেক গ্রাম থেকে গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর গ্রামে পাপ্পুর বাড়িতে এসে ওঠেন।
অনশনরত তানিয়া জানান,আমার মা নেই বাবা আছে। ও আমাকে বিয়ে করে একটি বাসায় রেখে পালিয়ে গেছে। আমাকে ফয়সালের মা মারধর করেছে। খবর পেয়েছি সে আবার দ্বিতীয় বিয়ে করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতেই বসবাস করছে। আমার আসার খবর পেয়ে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। সে আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। পাপ্পু যদি আমাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেয় তাহলে আমি আত্মহত্যা করব।
অভিযুক্ত ফয়সাল আহমেদ পাপ্পুর মা রোজিনা বেগম জানান, পাপ্পু আমার প্রথম সংসারের ছেলে। ওর বাড়ি এখানে না চাঁদপুর। পাপ্পু নয়ানগর থাকে না। ওই মেয়ে কিছু করলে চাঁদপুর গিয়ে করুক এখানে কেন? তাদের বিয়ের বিষয়ে আমি কিছু জানা নেই। তবে আমি তাকে মারধর করিনি সেটি সে মিথ্যা বলছে। যেহেতু ফয়সাল এখানে নেই আমি কি করতে পারি।
বিষয়টি নিয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এফএইচ