দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে রয়েছে। জেলার আটটি উপজেলা আক্রান্ত হলেও চারটি উপজেলা বেশি বন্যার শিকার হয়েছে। জেলাতে ২০ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি। এসব মানুষের সাহায্যার্থে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
জানা যায়, নোয়াখালীর ৮ উপজেলায় পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছে সেনাবাহিনী। এসব মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনছেন তারা। বিশেষ করে প্রভাবশালীদের অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করার ফলে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। আর এজন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এসব উচ্ছেদ করে সেনাবাহিনী। ফলে লোকালয় থেকে পানি নামতে শুরু করে। তবে তা ধীর গতিতে।
বিভিন্ন উপজেলার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে মাছের খামার করায় পানি নামছিল না। পানি না নামায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানায় স্থানীয়রা। তারা এসে অভিযান পরিচালনা করে বাঁধ কেটে দিয়ে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করে দিয়েছে।
সেনাবাহিনীর নোয়াখালী ক্যাম্প ইনচার্জ লেফট্যানেন্ট কর্নেল আশরাফ উদ্দিন বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বাঁধ কেটে দিয়ে পানির প্রবাহ সচল করা হয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজের পাশাপাশি আশ্রয় কেন্দ্রে আসা বানভাসিদের জন্য রান্নার কাজ করছে। পাশাপাশি শুকনা খাবার, মোমবাতি, দিয়াশলাই, স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
অ