দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যাওয়া ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস বিএনপিপন্থী কয়েকজন কাউন্সিলরকে দেড় কোটি টাকায় হাত করে গত রোববার কার্যালয়ে ফিরে আসেন বলে এলাকায় গুঞ্জন ওঠে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ভাইরাল হয়। এক দিন পরই সোমবার সরকারের সিদ্ধান্তে মেয়রের পদ হারিয়েছেন তিনি।
অমিতাভ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার আসামি। দুই সপ্তাহ আত্মগোপনে থাকার পর রোববার দুপুরে তিনি পৌরসভা কার্যালয়ে ফেরেন। এ সময় কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফের অনুসারী শহর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল লতিফ মিয়া, বিএনপিপন্থী ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিনালসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
এরপরই গুঞ্জন ওঠে, বিএনপিপন্থী কয়েকজন কাউন্সিলরকে টাকা দিয়ে হাত করেছেন অমিতাভ। এ ঘটনায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে মেয়র অমিতাভসহ ১০ কাউন্সিলরের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার বিক্ষোভ ও পদযাত্রা করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা মেয়র ও কাউন্সিলরদের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন।
কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরপরই জানা যায়, অমিতাভসহ সারা দেশের ৩২৩ জন পৌর মেয়রকে পদ থেকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ বিষয়ে কাউন্সিলর মিনাল জানান, আমার মায়ের কসম খেয়ে বলছি এই কাজের সঙ্গে আমি জড়িত নই। কাউন্সিলর হিসেবে আমি মেয়রের সঙ্গে পৌরসভায় ছিলাম। কোনো টাকা পয়সা লেনদেন হয়েছে কি-না তা আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে মেয়র অমিতাভ বোসের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
আরএ