দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদের দিন ভোর থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে মহানগরসহ সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঈদগাহ ও সড়ক। পাহাড়ি ঢলে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। প্রায় ৬ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে ঈদুল আজহার আনন্দ অনেকটাই মাটি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে ঈদগাহ ও মসজিদ ভেসে যাওয়ায় অনেকে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি। এমনকি পশু কোরবানি করা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সোমবার দেশের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল। এদিন সিলেটে ভোর ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত টানা বর্ষণ চলে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর প্রধান প্রধান সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। অনেকের বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। আবার শুকনা স্থান না পাওয়ার ফলে অনেকেই কোরবানির গরু-ছাগল পানির মধ্যে বেঁধে রেখেছেন। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
ইতোমধ্যে বন্যা আক্রান্তদের জন্য ৪৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জানা গেছে, আজ সকাল পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ, গোয়ানঘাট, কানাইঘাটসহ কয়েকটি উপজেলায় ১০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।
এদিকে সকাল ৮টায় ভারী বৃষ্টি মাথায় নিয়েই শাহী ঈদগাহে সিলেটে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর এই জামাতে লক্ষাধিক মুসল্লি অংশ নিলেও এবার ব্যতিক্রম ছিল। শুধু শাহী ঈদগাহ নয়, প্রতিটি মসজিদ ও ঈদগাহের একই অবস্থা ছিল। সকাল ৮টায় পুলিশ লাইন জামে মসজিদে পানি প্রবেশ করায় একাংশে নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে মুসল্লিদের।
একইভাবে মেজরটিলা, কদমতলী, বিমানবন্দর সড়ক, উপশহর, সুবহানিঘাটসহ বেশ কয়েকটি এলাকার ঈদগাহ ও মসজিদে পানি প্রবেশ করায় নামাজ আদায়ে ব্যাঘাত ঘটে।
এস