দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে দেশসেরার মুকুট পুনরুদ্ধার করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। চলতি বছর এই বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যা দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এর আগে, ২০২২ সালেও ৯৫ দশমিক ১৭ শতাংশ পাসের হার নিয়ে দেশসেরা হয়েছিল যশোর শিক্ষা বোর্ড। তবে গত বছর পাসের হার ৯ শতাংশ কমে ৮৬ দশমিক ১৭ ভাগে নেমে যাওয়ায় শীর্ষস্থান হাতছাড়া হয়েছিল।
এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্তি সামান্য বেড়েছে। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ হাজার ৭৬১ জন; গতবছর এই সংখ্যা ছিল ২০ হাজার ৬১৭।
রোববার (১২ মে ) প্রকাশিত ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের এ চিত্র উঠে এসেছে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যথাযথ নজরদারি এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারায় ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদ জানান, এ বছর যশোর বোর্ডে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৯২৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৭৭ জন। এছাড়া এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ হাজার ৭৬১ জন। এদের মধ্যে ছাত্রী ১১ হাজার ৪৩১ ও ছাত্র ৯ হাজার ৩৩০ জন।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর (২০২৩ সালে) যশোর শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল।
এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ২১৩ জন। পাসের হার ছিল ৮৬ দশমিক ১৭ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২০ হাজার ৬১৭ জন। এদের মধ্যে ছাত্রী ১১ হাজার ৩৭০ ও ছাত্র ৯ হাজার ২৪৭ জন।
এর আগে, ২০২২ সালে যশোর বোর্ডে মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫০১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছিল ১ লাখ ৬১ হাজার ৩১৪ জন।
পাসের হার ছিল ৯৫ দশমিক ১৭ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩০ হাজার ৮৯২ জন। এই ফলাফলে দেশসেরা হয়েছিল যশোর শিক্ষা বোর্ড। এবার দেশ সেরা হলেও ২০২২ সালের পাসের হারকে অতিক্রম করতে পারেনি।
দেশ সেরা ফলাফল প্রসঙ্গে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহমেদ বলেন, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্ন ব্যাংকের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এবারের পরীক্ষার্থীরা প্রশ্ন ব্যাংকের প্রশ্নপত্রে প্রাক-নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় তাদের মধ্যে কোনো ভীতি ছিলো না।
তিনি আর বলেন, ওই সব পরীক্ষায় যারা পিছিয়ে ছিলো তাদেরকে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। ফলে চূড়ান্ত পরীক্ষায় সবাই ভালো করেছে।
ডিপি/