দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের নাফ নদ দিয়ে অস্ত্রসহ পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির আরও ৪০ জন সদস্য। তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে হেফাজতে নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
তবে এই বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় টেকনাফস্থ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ক্ষুদে বার্তায় জানান, এ বিষয়ে বিজিবির হেড কোয়ার্টারে যোগাযোগ করতে।
এমনকি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিও।
স্থানীদের সঙ্গে কথা বলে ও টেকনাফে অবস্থানরত গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে জানা যায়, তিনটি পয়েন্ট দিয়ে অন্তত ৪০ জনকে পালিয়ে আসতে দেখা গেছে। এর মধ্যে ৪ মে শুক্রবার (৩ মে) দিবাগত রাত ১ টায় টেকনাফের সাবরাং আছার বনিয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন ১৪ জন মিয়ানমার বিজিপি সদস্য। তারা ১টি কাঠের নৌকা যোগে অস্ত্র গোলাবারুদসহ সাবরাং বিওপিতে আত্মসমর্পণ করেন।
দ্বিতীয় ধাপে শনিবার (৪ মে) সকাল সাড়ে ৬ টায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার বিজিপির ২২ জন সদস্য ১টি কাঠের নৌকা করে অস্ত্র গোলাবারুদসহ নাজির পাড়া বিওপির কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
তৃতীয় ধাপে সকাল ৯ টায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজির পাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের ৪ জন বিজিপি সদস্য ২টি কাঠের নৌকা ও অস্ত্র গোলাবারুদসহ বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করে।
এর আগে দুই দফায় পালিয়ে আসা মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনাবাহিনীর ৬১৮ জনকে ফেরত পাঠানো হয়। এর মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৮৮ জন বিজিপি-সেনা এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ৩৩০ জন বিজিপি সেনা ও কাস্টমস কর্মকর্তাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠায় বাংলাদেশ।
জেবি