দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালীর সীমান্ত এলাকা থেকে ১০ বাংলাদেশি জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)।
বুধবার (১ মে) সকাল ৮টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালীর রহমতের বিল সীমান্তে নাফ নদী থেকে তাদেরকে ধরে নিয়ে যায়।
অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত করে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী মুঠোফোনে জানান, জেলেরা নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে মাছ ধরতে গিয়ে অপহরণের শিকার হন।
গফুর উদ্দিন বলেন, আরাকান আর্মির সদস্যরাই আমাদের জেলেদের নিয়ে গেছে। কারণ রহমতের বিল সীমান্তে মিয়ানমার অংশে এখন সেদেশের কোনো সরকারি বাহিনী নেই। যারা ছিলো তারা সবাই সংঘাতের সময় পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছিল। এখন রহমতের বিলের ওপারে মিয়ানমানের ওই এলাকাটি আরাকান আর্মির দখলেই আছে।
এছাড়া বিভিন্ন সূত্রে গফুর উদ্দিন খবর পেয়েছেন আরাকান আর্মিই জেলেদের নিয়ে গেছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো. তানভীর হোসেন মুঠোফোনে জানান, যেহেতু সীমান্ত এলাকা থেকেই অপহরণের শিকার হয়েছে তারা তাই গতকালকে রাতেই বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হয়েছে এবং তাদেরকে উদ্ধারের জন্য ইতোমধ্যে বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে জানানো হয়েছে।
আরাকান আর্মির নাম সরাসরি না বললেও তানভীর হোসেন বলেন, তিনিও শুনেছেন মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনই এ কাজ করেছে।
অপহৃতরা হলেন, মৃত জালাল আহমেদের ছেলে সাইফুল ইসলাম, মৃত আলী আহমদের ছেলে আব্দুর রহমান ও আয়ুবুল ইসলাম, তাহেরের ছেলে মো. সোহান, মৃত সোহাব হোসেনের ছেলে জানি আলম, মৃত আব্দুস সালামের ছেলে আব্দু রহিম, জালাল আহমেদের ছেলে আনোয়ার। এরা সকলেই উখিয়ার থাইংখালীর রহমতের বিল এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলেন জানান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন।
রহমতের বিলের পাশাপাশি এলাকা পালংখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুটিবুনিয়া এলাকার আছে তিনজন। তারা হলেন, মৃত মো. হোসেনের ছেলে ওসমান গনি, মৃত আজিজ সালামের ছেলে আবুল হাসিম ও একই এলাকার মো. ওসমান।
এদিকে অপহৃতদের পরিবার গতকালকে থেকে উৎকণ্ঠায় আছেন। যেকোনো মূল্যে অহপহৃতদেরকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি অপহৃতদের পরিবারের।
জেবি