দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মালয়েশিয়ার গোপন ক্যাম্প থেকে শতাধিক বাংলাদেশি যুবককে উদ্ধার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। মালয়েশিয়ার সালাক সালাতন নামে একটি ক্যাম্প থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। সালাক সালাতন ক্যাম্পে বন্দিদের কেউ কেউ দেশে তাদের পরিবারকে ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মানব পাচার আইনে মেহেরপুরের গাংনী থানায় মামলা করা হয়েছে।
মামলাটি করেন, সাহেবনগর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন, ব্রজপুর গ্রামের আনারুল ইসলাম, কল্যাণপুর গ্রামের ওবায়দুল্লাহ, আব্দুল মজিদ, রফিকুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম ও আতিয়ার রহমান।
মামলার আসামি করা হয়েছে মুছা ইন্টারন্যাশল নামের প্রতিষ্ঠানের মালিক আদম ব্যাপারী সাহেবনগর গ্রামের মৃত ইছাহাক আলীর ছেলে ইঞ্জিনিয়ার মুসা কলিমকে প্রধান আসামি ও একই গ্রামের আব্দুল হাদি ওরফে সুরজের ছেলে আব্দুল আওয়াল, আব্দুল হাদি, রঞ্জিত মন্ডলের ছেলে আমিরুল ইসলাম, নুর ইসলামের ছেলে হাসানুজ্জামান, নুর মোহাম্মদের ছেলে আরিফুল ইসলামকে।
মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিত কুমার নন্দী জানান, সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারীরা অর্থের বিনিময়ে লোক পাঠিয়ে প্রতারণা ও জবরদস্তিমূলক শ্রমে বাধ্য করার অভিযোগে মামলাটি এফআইআরভুক্ত করা হয়েছে।
ক্যাম্পে আটকে থাকা যুবকরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ৪-৫ মাস আগে এখানে এসেছি। আমাদেরও এই ক্যাম্পে আটক রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে আজকে শতাধিক যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে গেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন পুলিশ।
গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, মানবপাচারকারীদের নামে একটি মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফএইচ