দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের ওপারে টানা উত্তেজনা ও গোলার আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিকসহ দুজনের মৃত্যুর ঘটনার পর সীমান্তে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন।
এর আগে সীমান্তের ছয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবারন জেলা প্রশাসক শাহ মুজাহিদ উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রশাসনের এই ঘোষণার পর সীমান্তলাগোয়া এলাকা থেকে মানুষ সরে যেতে শুরু করেছে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের মিয়ানমার সীমান্তের অভ্যন্তরে চলমান পরিস্থিতির কারণে অনেকে গত রাতে নিরাপদে আশ্রয় নেয়। তুমব্রু কোণারপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মধ্যমপাড়া, হেডম্যান পাড়া, জলপাইতলী ও বাজারপাড়া এলাকায় গ্রাম পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে নিরাপদে চলে যাওয়ার ঘোষণা দিচ্ছেন। নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে যারা আশ্রয় নিবেন তাদের পরিবহনসহ সব ধরনের ব্যবস্থাও নিয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হচ্ছে।
এদিকে, ভোরে মিয়ানমারের ঢেকিবুনিয়া ও তুমব্রু ক্যাম্প থেকে ভারী অস্ত্র ব্যবহারের শব্দ শুনা গেছে। এপারের ঘুমধুম এলাকায় এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে মর্টারশেল এসে পড়ে। গতকাল মিয়ানমারের গোলার আঘাতে প্রাণ হারিয়েছে দুজন।
জেবি