দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তীব্র শীতে বিপর্যস্ত ভোলা উপকূলের জনজীবন। বিশেষ করে শীত কষ্টে দিন কাটছে দরিদ্র পরিবারের মানুষগুলোর। অনেকের নেই একটি কম্বল কেনার সামর্থ। আর তাই পরিবার নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।
এমন বাস্তবতায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ভোলার জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান। রাতের বেলায় তীব্র শীত উপেক্ষা করে উপকূলের ছিন্নমূল পরিবারের হাতে তুলে দিলেন কম্বল।
সংকট মুহূর্তে কম্বল পেয়ে খুশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ। হাসি ফুটেছে তাদের চোখ-মুখে। এজন্য তারা ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রীকে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ৩ দিন ধরে ভোলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ও ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস উঠা-নামা করছে। এতে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। যা অব্যাহত থাকবে আরও দুদিন।
এদিকে তীব্র শীতে সীমাহীন দুর্ভোগে দ্বীপজেলা ভোলার অসহায় মানুষ। শীতের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। তবে শীত নিবারণের ব্যবস্থা না থাকায় ভোলার উপকূলের বেশিরভাগ দরিদ্র মানুষ শীত কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। আর তাই অনেকটা দুর্ভোগ বেড়েছে তাদের।
শীতার্ত মানুষ জানালেন, তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে পারছে না শ্রমজীবী মানুষ। কৃষকরা কাজ করতে পারছেন না ফসলের ক্ষেতে।
এদিকে শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল নিয়ে হাজির হলেন জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান। গত শনিবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে ভোলা সদরের শিবপুর ও ধনিয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের ছিন্নমূল অসহায় মানুষের হাতে তুলে দিলেন কম্বল।
প্রধাণমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের দেওয়া এ কম্বল পেয়ে অভিভূত এবং খুশি তারা। ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রীকে।
ভোলা সদরের ধনিয়া ইউনিয়নে নার্গিজ ও বিবি ফাতেমা বলেন, গত দুই দিন ধরে প্রচুর শীত, পরিবার নিয়ে শীত কষ্টে ভুগছি। এখন একটা কম্বল পেয়েছি। তা দিয়ে শীত নিবারণ করব।
জুলেখা বলেন, স্বামী রিকশা চালায়। একটা কম্বল কেনার সামর্থ নেই। এখন কম্বল পেয়েছি। আমি অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুস বলেন, সরকার সবসসময় জনগণের পাশে আছে। তাই শীতের সময় দরিদ্র মানুষকে সহায়তা দিচ্ছে।
ভোলার জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান বলেন, বেড়িবাঁধের ছিন্নমূল পরিবারের কষ্ট ও দুর্ভোগ লাগবে শীত নিবারণের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে কম্বল দিয়েছি। দরিদ্র মানুষেরর কষ্ট দেখে আমরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।
উল্লেখ্য, জেলার সাত উপজেলায় এ বছর ৪৩ হাজার ৫০০ পিস কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বিতরণ কার্যক্রম চলমান।
জেবি