দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্বাচনি পোস্টারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহারের অভিযোগে হবিগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
রোববার (৩১ ডিসেম্বর) তাকে নোটিশ দেন এ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও হবিগঞ্জ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সবুজ পাল। আগামী মঙ্গলবারের (২ জানুয়ারি) মধ্যে নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর জনৈক আব্দুল হাই প্রিন্স নিজেকে নৌকা প্রতীকের কর্মী ও সমর্থক দাবি করে সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন যে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিলিকৃত পোস্টারে আইনবিরুদ্ধভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহার করেন। জেলা রিটার্নিং অফিসার উক্ত অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে নমুনা পোস্টারসহ ৩১ ডিসেম্বর নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কাছে উপস্থাপন করেন।
নমুনা পোস্টার পর্যালোচনা করে কমিটির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি-২০০৮ এর বিধি ৭ মোতাবেক প্রার্থীর ব্যানার ও পোস্টারে নিজের ছবি, প্রতীক এবং দলীয় প্রার্থী হলে একই সঙ্গে দলপ্রধানের ছবির বাইরে আর কারো ছবি ব্যবহার করা যাবে না মর্মে বিধান থাকলেও, আপনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহারে করে উল্লেখিত বিধি লঙঘন করেছেন।
আগামী মঙ্গলবারের (২ জানুয়ারি) মধ্যে নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি ও হবিগঞ্জ সদর আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সবুজ পাল।
এর আগে, গত ৪ ডিসেম্বর নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে হবিগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেন নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও হবিগঞ্জ সদর আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সবুজ পাল। যার প্রেক্ষিতে গত ৭ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কাছে লিখিত ব্যাখ্যা দেন তিনি।
ডিপি/