দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসনে হাতঘড়ি প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলম। অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে এর প্রতিবাদে জনপ্রতিনিধিরা এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় চকরিয়ার একটি হোটেলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুরাজপুর মানিকপুর ইউপির চেয়ারম্যান আজিমুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্পন্ন করা নির্বাচন কমিশনের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে একটি নিরপেক্ষ অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা সেই লক্ষ্যে নিজ নিজ এলাকায় আমাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনি কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটারদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান এমপি জাফর আলম আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ট্রাক গাড়ি প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে কাজ না করায় এবং বিপক্ষের হাতঘড়ি মার্কার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি কাজে অংশগ্রহণ করায় তিনি নিজে এবং তার গঠিত বাহিনী দ্বারা অবৈধ অস্ত্রের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে গুম ও হত্যার হুমকি প্রদান করে যাচ্ছেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, জাফরের কর্মী বাহিনী হাতঘড়ি প্রতীকের নির্বাচনি পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলছে। এমনকি ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন লাগাতেও বাধা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া হত্যার হুমকি, চাপ প্রয়োগ এবং নির্বাচনি সরঞ্জাম ছিঁড়ে ফেলা ও লাগাতে বাধা প্রদানের মতো অপতৎপরতা একটি অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে বড় অন্তরায়। এর ফলে আমরা জনপ্রতিনিধিগণরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এসময় কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য আবু তৈয়ব, পেকুয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম মিনু, মগনামার চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, বিএমচরের এসএম জাহাঙ্গীর আলম, রাজাখালীর নজরুল ইসলাম বাবুল, বদরখালীর নুরে হোছাইন আরিফ, লক্ষ্যারচরের আওরাঙ্গজেব বুলেট, কাকারার শাহাব উদ্দিন, বমু বিলছড়ি মনজুরুল কাদের, ঢেমুশিয়ার মঈনুদ্দিন চৌধুরী, উজানটিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, চিরিংগার সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন প্রমুখ জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরএ