দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনে নৌকার প্রার্থী মোরশেদ আলম এমপিকে হেনস্তার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি এজেন্টসহ ১১ কর্মী সমর্থকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভূইয়া মানিক।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে সেনবাগ উপজেলার সাহাপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভূইয়া অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা না থাকার পরও হয়রানির উদ্দেশ্যে তার ছোট ভাই প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, কাঁচি প্রতীকের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট সেনবাগ পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু জাফর টিপু ও সেনবাগ উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাজেদুল হক তানভীরসহ তার ১১ জন কর্মী সমর্থককে আসামি করা হয়েছে।
কাঁচির কর্মী সমর্থকদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যে এবং ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নৌকার প্রার্থী পরিকল্পিতভাবে ঘটনা ঘটিয়ে প্রতিপক্ষকে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার কেশাড়পাড় ইউনিয়নের দমদমা এলাকায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোরশেদ আলমের পথসভা চলাকালে মানসিক ভারসাম্যহীন এক লোক জুতা দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করে। তিনি একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ। আমি নিজেই এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছি। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে এক ব্যক্তি জুতা হাতে এমপি মহোদয়কে হেনস্তার চেষ্টা করে। কিন্তু আমার ছোটভাই ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগে।
এখন আপনারই বলুন, কোনটা সত্য? এর আগে বিভিন্ন সময় আমার নেতাকর্মীদের ওপর ও তাদের বাসাবাড়িতে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও গুলি বর্ষণ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় আমি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। তবুও আমি প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আস্থাশীল।
এ সকল ঘটনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
জেবি