দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদারীপুরের কালকিনিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী বিল্লাল খানকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোররাতে গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মাদারীপুরের জেলার গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। গ্রেপ্তার হওয়া বিল্লাল কালকিনি উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ভাটাবালী গ্রামের মোকলেস খানের ছেলে।
এদিকে সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, এলাকার দীর্ঘদিনের কোন্দলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হওয়ায় লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সদস্য এসকেনদার খাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এছাড়া এসকেনদার ও বিল্লালদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ এবং মারামারির ঘটনায় একাধিক মামলাও রয়েছে। পূর্ববিরোধকে কাজে লাগিয়ে এসকেনদারকে হত্যা করা হয়।
প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিল্লাল সরাসরি জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকারও করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। সন্ধ্যায় বিল্লালকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জানা যায়, গত শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) ভোরে বাড়ির সামনের রাস্তায় হাঁটতে বের হন এসকেনদারসহ কয়েকজন। এ সময় মাদারীপুর-৩ আসনের নৌকা প্রার্থী ড. আবদুস সোবহান গোলাপের সমর্থক ও লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক বেপারীর সমর্থক বিল্লাল খা, আনেস খাঁ, খলিল খাঁসহ কয়েকজন অতর্কিতে হামলা চালায় এনকানদারের ওপর।
এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বেগমের সমর্থক এসকেনদারকে এলোপাতারি কুপিয়ে আহত করে। পায়ের রক কর্তনও করা হয়। বাধা দিলে আরেকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে দুইজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাদের পাঠানো হয় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এসকেনদার। পরে গত রোববার (২৪ ডিসেম্বর) নিহতের ছেলে কিরণ খাঁ বাদী হয়ে কালকিনি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ডিপি/