দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিনের নাম নাসিরনগর থেকে মুছে ফেলার হুমকি দেওয়া সংসদ সদস্য বদরুদ্দোজা মো. ফরাহদ হোসেনকে তলব করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।
রোববার (২৪ ডিসেম্বর) দেওয়া এক ব্যাখা প্রদান নোটিশে সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল পাঁচটায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী জজ ও নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির মোহাম্মদ রেজাউল হক স্বাক্ষরিত এ চিঠি ফরহাদ হোসেনের কাছে পৌঁছানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যা এই কমিটির গোচরিভূত হয়েছে। এ অবস্থায় আপনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন নির্বাচন কমিশনকে সুপারিশ করা হবে না মর্মে ২৫ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখা প্রদানের জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৯১ এ (৫) (এ) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে নির্দেশ দেওয়া হলো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনি জনসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন তার বক্তব্যের একপর্যায়ে কুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিনের নাম নাসিরনগর থেকে মুছে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার পর থেকে নাসির উদ্দিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদেরকে বলেন, এমপি মহোদয় আমার নাম নাসিরনগর থেকে মুছে ফেলা হবে বলে প্রকাশ্যে জনসভা থেকে ঘোষণা দিয়েছেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. লতিফ হোসেন এমপির দেওয়া বক্তব্য সম্পর্কে বলেন, চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মূলত বিএনপি করতেন। তবে নিজে নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘেঁষেন। সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এখন তিনি আবার সাবেক বিএনপি নেতার হয়েই নির্বাচনে লড়ছেন।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহাগ রানা জানান, এমপির একটি বক্তব্য ফেসবুকে থেকে তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে কেউ কোনো ধরনের অভিযোগ করেনি।
জেবি