দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকা থেকে রেখা খাতুন নামের এক শিক্ষার্থীর কম্বলে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের হাউজিং সি ব্লক (ওয়াব্দার পুরোনো গেইট) এর সামনে থেকে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রেখা খাতুন (১৮) কুমারখালি উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখোই গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে। রেখা খাতুন কুমারখালী ডিগ্রি কলজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল পৌনে ৫ টার দিকে হাউজিং এলাকার স্থানীয়রা হাটাহাটি করার সময় সন্দেহজনক একটি সদৃশ বস্তু দেখতে পেয়ে ৯৯৯ এ কল দেন। পরে পুলিশ এসে দেখে কম্বলে জড়ানো এক নারীর লাশ। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে লাশ প্রেরণ করে।
২০ দিন আগে প্রেমের সম্পর্কে খুলনার ছেলে হাফিজুর রহমানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় রেখা খাতুনের। রেখা খাতুনের স্বামী হাফিজুর রহমান বর্তমানে মাগুরা জেলায় পপুলার কোম্পানিতে চাকরি করে।
নিহত রেখার পরিবার জানায়, রেখা গতকাল সকাল ৯ টার দিকে কলজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরে হাউজিং-এ একটি লাশ পাওয়ার কথা শুনে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে এসে দেখেন রেখার মরদেহ পড়ে আছে। এ ঘটনায় সঠিক তদন্ত ও জড়িতদের কঠোর বিচার চাই রেখার পরিবার।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ সোহেল রানা জানান, তারা হাউজিং সি ব্লক থেকে রেখা খাতুন নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই তরুণীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-এর পর জানা যাবে আসল ঘটনা। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলেও জানান ওসি।
এম