দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জামালপুরে অ্যাডুকেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় ও জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের আয়োজনে প্রস্তবিত ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২২’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালকের কার্যালয় সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শামীমা খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুন্নাহার, সমাজসেবা কর্মকর্তা ফারুক মিয়া, জুনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জারি ডা. শামসুর রহমান, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম, কাউন্সিলর রাজিব সিংহ সাহা, সনাক সভাপতি অজয় পাল, কলেজ শিক্ষক জিন্নাত জেরিন প্রমুখ।
এসএম আতিকুর রহমান সুমনের সঞ্চালনায় আইনের খসড়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী জয়ন্ত কর।
বক্তারা বলেন, যৌন হয়রানির ঘটনা সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধি নিয়ে আরও আলাপ আলোচনা করে আইনের খসড়াটি আরও সমৃদ্ধ করতে হবে। যৌনহয়রানির প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে আমাদের নানা দুর্বলতা রয়েছে বিধায় এই আইনটির প্রয়োজন আছে। আইন প্রণয়নে সব কিছুর সমাধান না হলেও আইনটি অপরাধীদের জন্য আতঙ্ক তৈরি করবে। আইনটি ক্ষমতাশালীদের বিরুদ্ধে ভিকটিমদের জন্য একটা সুরক্ষা তৈরি করবে। খসড়ায় উল্লেখ করা অভিযোগ কমিটির স্থলে অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি যুক্ত করা দরকার বলে মনে করেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, ‘জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম’ কন্যাশিশু তথা নারীর অবস্থা ও অবস্থানের ইতিবাচক পরিবর্তনে কর্মরত সমমনা সরকারি-বেসরকারি ১৯৮টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের কাজের সমন্বয় এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।
কন্যাশিশুর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণসচেতনতা সৃষ্টি ও নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে অ্যাডভোকেসির জন্য ফোরামের সকল সংগঠনের সহায়তায় তৃণমূল থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে নারী ও শিশুর জন্য নিরাপদ কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং পাবলিক প্লেসে সামগ্রিক (হাট-বাজার, রাস্তা, খেলার মাঠ, মার্কেট ও পরিবহণ) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার আলোকে যৌনহয়রানি প্রতিরোধে ইতোমধ্যে একটি প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ আইন (খসড়া) প্রণয়ন করা হয়েছে। আইনটির পর্যালোচনা করা আজকের সভার উদ্দেশ্য। আইনটিতে সবার দিক বিবেচনা করতে হবে। যাতে কেউ আবার অপব্যবহারের সুযোগ না পায় না।
জেবি