দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের মোবারকপুর ও পানিঘাটা গ্রামে সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে ১০টি বাড়ি। আহতদের মধ্যে মারুফ হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পক্ষের বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোবারকপুর ও পানিঘাটা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম ও চন্নু বিশ্বাসের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীয় রাজনীতিতে নজরুল মেম্বার স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে চন্নু বিশ্বাস যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের সমর্থক।
পূর্বশত্রুতা ও দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে নজরুল মেম্বারের এক সমর্থককে প্রতিপক্ষের লোকজন মারধর করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে তা পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সাবেক ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের বাবা আক্কাসের নেতৃত্বে পার্শ্ববর্তী পানিঘাটা এলাকা থেকে বহিরাগত লোকজন এনে এ হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় গ্রামের বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে চন্নু বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হোসেন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই