দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ করে অবরুদ্ধ করেছেন সহকর্মী শিক্ষক ও কর্মচারীরা। এ সময় তালাবদ্ধ কক্ষের সামনে বারান্দায় বসে বিক্ষোভ করেন তারা।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ করেন অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা।
বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা জানান, এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাটির সুপার সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। এ বিরোধের জেরে গত ছয় মাস ধরে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে।
সহকারী শিক্ষক ইমরুল কায়েস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুপার ও অফিস সহকারীর মধ্যে নিয়োগসংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এর জেরে সুপার সবার বেতন আটকে রেখেছেন। ছয় মাস ধরে তাঁরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। এ সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দুজনকে অবরুদ্ধ রাখা হবে।
সহকারী শিক্ষক রত্না পারভিন বলেন, বেতন-ভাতা না পাওয়ায় পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচও দিতে পারছেন না তারা। বাধ্য হয়ে সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছেন।
সহকারী মৌলভী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম জানান, বেতন-ভাতা পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাঁদের অবরুদ্ধ রাখা হবে। বেতন পেলেই তারা পাঠদানে ফিরবেন।
অন্যদিকে, অবরুদ্ধ সুপার সাইদুর রহমান বেতন আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, বেতনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু অফিস সহকারী সেগুলো ছিনিয়ে নিয়েছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে সুপার বেতন দেবেন, এতে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। সুপার তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ বলেন, কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য মাদ্রাসার সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে।
যে আই