দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত ক্যাম্পাসের স্থান পরিবর্তনের ঘোষণার প্রতিবাদে এবং পূর্বনির্ধারিত স্থানেই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি দিয়েছে সদর উপজেলা বিএনপির একাংশ।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলা চত্বর থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টিপু মাদবরের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পূর্বনির্ধারিত স্থান বহাল রেখে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে জেলার অধিকাংশ মানুষের যোগাযোগ সুবিধা, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, আবাসন, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও শিক্ষা-সহায়ক অবকাঠামোর বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর পূর্ব ডামুড্যা এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপনের ঘোষণার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এর প্রতিবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পূর্বনির্ধারিত স্থান বহাল রাখার দাবিতে কর্মসূচি পালন করছে।
সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টিপু মাদবর বলেন, জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানটি যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধার দিক থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধাজনক। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শরীয়তপুরের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াত, আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। তাই কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট এলাকার স্বার্থ বিবেচনা না করে জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণ করা উচিত।
এমএস/