দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীতে শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। জেলার আটটি উপজেলায় এবার ১৯২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হবে। প্রতিমা তৈরি, রং করা, সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ শেষ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দেবীর বোধন ও পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসব।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদ্যাপন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ২৭টি, বাউফলে ৬৮টি, গলাচিপায় ২৯টি, মির্জাগঞ্জ ও দশমিনায় ১৮টি করে, কলাপাড়ায় ১৫টি, দুমকিতে ১১টি এবং রাঙ্গাবালী উপজেলায় ছয়টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। জেলার আটটি উপজেলার মধ্যে বাউফলে সবচেয়ে বেশি এবং রাঙ্গাবালীতে সবচেয়ে কম মণ্ডপ রয়েছে।
বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমাশিল্পীরা শেষ মুহূর্তে দেবী দুর্গা ও অন্যান্য প্রতিমায় রং করা এবং সাজসজ্জার কাজ করছেন। মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় আলোকসজ্জার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিদ্যুৎকর্মীরা। অন্যদিকে পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্যরা মণ্ডপ নির্মাণ ও উৎসবের ব্যয় নির্বাহের জন্য দোকানপাট এবং স্থানীয় বিত্তশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করছেন।
দুর্গোৎসবকে ঘিরে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্শনার্থীরাও। নতুন পোশাক কেনার পাশাপাশি পূজার আনুষ্ঠানিকতা ও দেবীর চরণে নিবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করছেন অনেকে।
এদিকে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব উদ্যাপন নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে। পূজা উদ্যাপন কমিটি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অর্থ) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, দুর্গোৎসব ঘিরে এ বছর মণ্ডপগুলোতে প্রয়োজনীয়সংখ্যক পুলিশ, এসআরবি, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি জানান, মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আগমনের প্রতীক্ষা শুরু হয়েছে। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এবার দেবীর আগমন ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায়। আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
এমএস/