দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিখোঁজের ছয় দিন পর চার কিশোরীকে ঢাকার হেমায়েতপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানা পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।
পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার তিন কিশোরী গত ৫ অক্টোবর পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে তাদের সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়। এরপর নিখোঁজ কিশোরীদের উদ্ধারে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, টিকটকের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার মিরপুরের এক কিশোরীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকার এক কিশোরীর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানায় পুলিশ। একইভাবে মিরপুরের আরও দুই কিশোরীর মধ্যেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে চার কিশোরী একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।
সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৫ অক্টোবর মিরপুরের তিন কিশোরী বাড়ি ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। সেখানে নারায়ণগঞ্জের কিশোরীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার পর তারা একসঙ্গে বসবাস শুরু করে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চার কিশোরী ঢাকার হেমায়েতপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়েছিল।
পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পর মিরপুর থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। পরে মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাকিলাদহ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদের অবস্থান শনাক্ত করেন।
এরপর গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার হেমায়েতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।
ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, টিকটক গ্রুপের মাধ্যমে কিশোরীদের মধ্যে পরিচয় ও সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। নিখোঁজ তিন কিশোরীকে ঢাকার হেমায়েতপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের একজনকেও উদ্ধার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতের মাধ্যমে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
যে আই