দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি দুই সপ্তাহে গড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সাধারণ সভা শেষে কর্মবিরতিতে যোগ দেন শিক্ষকরা।
চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, সাধারণ সভায় সবাই দাবির বিষয়ে একমত হয়েছেন। চুয়েটের বাইরে থেকে কাউকে উপাচার্য হিসেবে তাঁরা চান না।
কর্মবিরতির কারণে একাডেমিক কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সামনে দুর্গাপূজার ছুটি রয়েছে। সংকটের সমাধান না হলে ছুটি পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে অনেকে মধ্যপর্বের ছুটিতে থাকায় তাদের একাডেমিক ক্ষতি হচ্ছে না। পরে যাঁদের ওই সময়ে ছুটি নেওয়ার কথা ছিল, তখন ক্লাস নিয়ে তাঁদের একাডেমিক ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।
চুয়েট কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, তাদের একটাই দাবি অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
তিনি বলেন, সামনে দুর্গাপূজার ছুটি থাকলেও চলমান সংকটের কারণে কারও মনে শান্তি নেই। সংকট দ্রুত সমাধানের দাবি জানান তারা।
প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে কুয়েটের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর প্রতিবাদে ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে জরুরি সভা করে পূর্ণ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেয় চুয়েট শিক্ষক সমিতি। পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর কর্মকর্তা সমিতির জরুরি সাধারণ সভায়ও অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে।
যে আই