দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা অগ্রণী ব্যাংক শাখায় গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা লোপাটের ঘটনায় ব্যাংকটির ব্যবস্থাপকসহ পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ব্যাংকের ভেতর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, অগ্রণী ব্যাংক শ্রীনগর শাখার ব্যবস্থাপক শরীফউদ্দিন (৩৯), সাবেক ক্যাশ অফিসার মো. জিন্নাহ হোসেন (৩৪), বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ (৩০), আব্দুল হাই (৪২) এবং ব্যাংকটির দীঘিরপাড় শাখার ব্যবস্থাপক রেজাউল হক (৪২)। এ নিয়ে এ ঘটনায় ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হলো।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্যাংকের টাকা লোপাটের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দল শ্রীনগর শাখায় তদন্ত চালায়। তদন্ত শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবাইকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া এলাকা থেকে ব্যাংকের শ্রীনগর শাখার সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক শরীফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এদিকে, গ্রাহকদের আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ নির্ধারণে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের একটি নিরীক্ষা দল গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের নিরীক্ষা কার্যক্রম চলছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হলেও নিরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত অঙ্ক নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
পুলিশ জানায়, প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ হওয়ায় সংস্থাটিও বিষয়টি তদন্ত করছে। আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ, অর্থের অবস্থান এবং ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তদন্ত ও নিরীক্ষার মাধ্যমে তা বেরিয়ে আসবে।
সম্প্রতি অগ্রণী ব্যাংকের শ্রীনগর বাজার শাখায় শত শত গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক শরীফুজ্জামান সোহাগ আত্মগোপনে চলে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকটিতে ভিড় করতে শুরু করেন গ্রাহকেরা। টাকা ফেরতের দাবিতে তারা মানববন্ধন ও মিছিল করেন। এতে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।
যে আই