দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে দস্যুতার অভিযোগে নয় জেলেকে ধরে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন ভুক্তভোগী জেলেরা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সোনারচরের বড় খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ দিন আগে মাছ ধরার সময় তাদের ট্রলারে হামলা চালিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় জাল, মাছ, তেল, মোটর, লাইট ও মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নয় জেলেকে ধরে চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে নিয়ে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করেন ভুক্তভোগীরা। পরে রাতে তাদের রাঙ্গাবালী থানায় নেওয়া হয়। আটক জেলেদের ট্রলারে অবৈধ জাল পাওয়ায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ আন নূর যায়েদ।
আটক নয় জেলে চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার আহমেদপুর ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের রাসেল মাঝির মালিকানাধীন একটি ট্রলারের জেলে বলে জানা গেছে।
দস্যুতার শিকার ট্রলারের মালিক দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রণগোপালদীর আবু তালেব গাজী। তিনি দাবি করেন, প্রায় ১৫ দিন আগে সোনারচরের দক্ষিণে মাছ ধরার সময় রূপারচরের দিক থেকে একটি ট্রলার এসে তাদের থামার সংকেত দেয়। পরে ট্রলারটি তাদের গতিরোধ করে। এ সময় মারধর করে তেল, দুই ককসিট মাছ, প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট জাল, মোটর, লাইট ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
আবু তালেব আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোনারচরের বড় খালের কাছে ওই ট্রলারটি দেখতে পেয়ে তারা সেটি চিনতে পারেন। পরে ট্রলারে থাকা নয় জেলেকে ধরে চরমোন্তাজ ঘাটে এনে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ আন নূর যায়েদ বলেন, আটক জেলেদের ট্রলারে অবৈধ জাল পাওয়ায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আর ১০ থেকে ১৫ দিন আগের ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা চাইলে মামলা করতে পারবেন।
এমএস/