দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের চাপায় পাখিভ্যানে থাকা নারীসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভ্যানে থাকা আরও এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদ্রাসার সামনে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন পাখিভ্যান চালক কামরুল ইসলাম ও যাত্রী ভানুমতি (৫৫)। ভানুমতি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া এলাকার স্বস্তিপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী। কামরুল মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর এলাকার আব্দুল সাত্তারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ভানুমতি তাঁর জামাইবাড়ি নওদা আজমপুরে বেড়াতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে পাখিভ্যানটি মেহেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে সেটি সড়কের ওপর পড়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আসা মেহেরপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের বাসটি ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই ভানুমতি মারা যান।
এ ঘটনায় ভানুমতির মেয়ে হাসিনা ও ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। আহতদের মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।
হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম মারা যান বলে জানান হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যে আই