দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিং কর্মসূচির ৩০ প্যাকেট দুধ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তিন যুবকের বিরুদ্ধে।
ঘটনার পাঁচ দিন পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে অভিযুক্তরা ২৭ প্যাকেট দুধ বিদ্যালয়ে ফেরত দিয়েছেন। বাকি তিন প্যাকেট দুধ তারা খেয়ে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে ঘটনা উপজেলা শিক্ষা অফিসকে না জানানোয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি গত শুক্রবারের হলেও কয়েক দিন পরও উপজেলা শিক্ষা অফিসকে জানানো হয়নি। এ কারণে প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দিয়েছেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে স্থানীয় ‘বিন্না ইয়ংমেন্স ক্লাব’-এর সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. নাদিম মাহমুদ ও তাঁর দুই বন্ধুর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে নাদিম মাহমুদ বলেন, তিনি ও তাঁর দুই বন্ধু বিদ্যালয় থেকে তিন প্যাকেট দুধ নিয়ে খেয়েছেন। দুধগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ছিল, তা তাঁরা জানতেন না। পরে ৩০ প্যাকেট দুধ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে বুধবার সকালে বিদ্যালয়ে এসে বাকি ২৭ প্যাকেট ফেরত দিয়েছেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোসা. আশা বলেন, গত শুক্রবার বিদ্যালয়ে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী আসেন। তাঁদের আপ্যায়নের কাজে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সময় লাইব্রেরিতে রাখা শিক্ষার্থীদের দুধ নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। বুধবার অভিযুক্তরা ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, গত শুক্রবার বিন্নায় নৌকাবাইচ উপলক্ষে পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা বিদ্যালয়ে আসেন। অতিথিদের বসার ব্যবস্থা করতে বিদ্যালয় খোলা হয়। শিক্ষকরা তাঁদের আপ্যায়নে ব্যস্ত থাকার সময় তিনি ওয়াশরুমে যান। এ সময় লাইব্রেরিতে রাখা ৭৯ প্যাকেট দুধের মধ্যে ৩০ প্যাকেট নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার সকালে ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
যে আই