দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

‘পর্যটনকে নতুন রূপ দিতে ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) ও কুয়াকাটা পৌরসভার যৌথ আয়োজনে প্রায় ৩০টি সংগঠনের অংশগ্রহণে পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে পর্যটন হলিডে হোমস চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে পর্যটন ইয়ুথ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম এম মোশাররফ হোসেন।
আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহসিন তালুকদার, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ মুসুল্লি, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামি, প্রেসিডেন্স পার্কের চেয়ারম্যান ফারুক মীর, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ, কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফিন্যান্স সেক্রেটারি রাসেল খানসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কুয়াকাটা বয়েজ ক্লাব, ফিশ ফ্রাই সমিতি, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েকশ মানুষ শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা কুয়াকাটার পর্যটন উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা, পর্যটকদের সেবা ও নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। এ সময় পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এসব বিষয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম এম মোশাররফ হোসেন।
কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পর্যটন কেবল মানুষ, স্থান ও সংস্কৃতিকে একে অপরের কাছাকাছি নিয়ে আসে না, বরং এটি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে, জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।’
তিনি বলেন, ‘কুয়াকাটাতে পর্যটক ধরে রাখার জন্য আমরা ইতিমধ্যে একটি সাফারি পার্ক করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি সরকারও কুয়াকাটার প্রতি আন্তরিক। একনেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। প্রকল্পটি পাস করানোর জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রকল্পটি পাস হয়ে গেলে কুয়াকাটার ভাঙন যেমন রক্ষা হবে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী হিসেবেও কুয়াকাটাকে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’