দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বেলা তখন সাড়ে ১২টা। নগরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের সরু গলির একটি ভবনে চলছিল বৈঠক। বাইরে থেকে কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেখানে হাজির হয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশের দল। ভবনের ভেতর থেকে একে একে বের করে আনা হয় ১২ জনকে। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ভবনে অভিযান চালানো হয়। সেখানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে গোপন বৈঠক করছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
শনিবারের এই অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নগরের ডেফুলিয়া এলাকার ইলিয়াস মুন্সী (৪৫), গোড়াচাঁদ দাস রোডের খলিলুর রহমান সুমন (৪৫), একই এলাকার সঞ্জিব কুমার দাস (৫২), আর্শেদ কন্ট্রাক্টর গলির সিফাত (২২), কলেজ অ্যাভিনিউ এলাকার মাহাদি ইসলাম (২৬), দরগাবাড়ি এলাকার ইয়াসিন আরাফাত (৩০), একই এলাকার রফিকুল ইসলাম (২৫), জিহাদ (২২), টুমচর এলাকার নাইম (২৫), শফিকুল ইসলাম, উজিরপুরের সিয়াম ও মেহেন্দিগঞ্জের রাজিব চন্দ্র দাস।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার বলেন, ‘হালিমা খাতুন স্কুলের পাশের একটি ভবনে নিষিদ্ধ সংগঠনের কয়েকজন নাশকতার পরিকল্পনা করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতেই সেখানে অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের কথোপকথন যাচাই করা হবে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কয়েকজন পদধারী নেতা রয়েছেন। পুলিশের ধারণা, বৈঠকের আড়ালে নাশকতার কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
/অ