দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকার সড়কে যানবাহন চলাচল ও পথচারী পারাপারে শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। নতুন এসব পয়েন্টের ২৮টি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ২২টি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় স্থাপন করা হবে।
এর আগে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর ১৩টি ইন্টারসেকশনে সেমি-অটোমেটেড ও এআই নিয়ন্ত্রিত ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়। এবার সেই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বুয়েটের তত্ত্বাবধানে তৈরি এ প্রযুক্তি সড়কে যানবাহনের চাপ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিগন্যাল পরিচালনা করতে পারে। ফলে এটি পরিচালনার জন্য আলাদা অপারেটরের প্রয়োজন হবে না। তবে প্রয়োজন হলে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা হাতের ট্যাব ব্যবহার করে সিগন্যাল পরিবর্তন করতে পারবেন।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থার ফলে চালকদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়ছে। কয়েকজন চালকও জানিয়েছেন, মামলা হওয়ার আশঙ্কা ও সতর্ক থাকার কারণে এআই সিগন্যাল মেনে চলার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, মানুষের পুরনো অভ্যাস পরিবর্তন করে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সহজ নয়। তবে নতুন এ ব্যবস্থার বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
তবে মাঠপর্যায়ের ট্রাফিক কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতায় এআই সিগন্যাল ব্যবস্থায় কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ফুটপাত দখল, যত্রতত্র পথচারী পারাপার এবং ফিটনেসবিহীন ও ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলের কারণে অনেক সময় এআই ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করতে সমস্যায় পড়ে।
এদিকে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল ব্যবস্থা সার্বক্ষণিক সচল রাখতে প্রয়োজনীয় লোকবলও প্রস্তুত করা হচ্ছে। সিগন্যালিং ব্যবস্থা পরিচালনা ও তদারকির জন্য ট্রাফিক পুলিশের অধীনে ‘ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিটকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
এমএম/