দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদুল আজহার নামাজ শেষে রাজধানীজুড়ে শুরু হয়েছে পশু কোরবানি। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গরু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরবাসী।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টার দিকে ঈদের জামাত শেষ হওয়ার পরপরই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরবানি দেওয়া শুরু করেন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা।
রামপুরার জামতলা এলাকার একটি গলিতে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক মিলে গরু জবাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেখানে শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, এটি ত্যাগের শিক্ষা দেয়। আমরা প্রতিবছর পরিবারের সবাই একত্রিত হয়ে কোরবানি করি। এতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
শারমিন আক্তার বলেন, শিশুরা সকাল থেকেই খুব আনন্দ করছে। তারা গরুর পাশে ঘুরছে, মাংস কাটার কাজ দেখছে। ঈদের এই পরিবেশ বছরে একবারই আসে। অনেকে এবার যৌথভাবে কোরবানি দিচ্ছেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
শফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকটি পরিবার মিলে যৌথভাবে একটি গরু কোরবানি দিচ্ছি। আগে সবাই আলাদাভাবে কোরবানি দিত। এবার অনেকেই একসঙ্গে গরু কিনে কোরবানি করছেন। এতে খরচ কিছুটা কমে, আবার সামাজিক বন্ধনও তৈরি হয়।
মিরপুরের বাসিন্দা মো. আশিকুর রহমান আশিক জানান, সকাল ৭টায় ঈদের জামাত শেষে তারা চারজন মিলে ভাগে কোরবানি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, কোরবানির গরুর কাছে নিজে থাকতে না পারলে মনে শান্তি লাগে না। বাসার সামনে কোরবানি হচ্ছে, পরিবারের শিশুরাও অনেক আনন্দ করছে। আল্লাহ যেন আমাদের কোরবানি কবুল করেন।
ঈদের দিনে কসাইদের ব্যস্ততাও ছিল চোখে পড়ার মতো।
কসাই রিপন মিয়া বলেন, সকাল ৭টার পর থেকেই কাজ শুরু করেছি। আজ অন্তত সাতটি গরু জবাই করতে হবে। ঈদের সময়ই আমাদের সবচেয়ে বেশি আয় হয়।
এদিকে, শিশু-কিশোরদের মধ্যেও ঈদের উচ্ছ্বাস ছিল স্পষ্ট। নতুন পোশাক পরে তারা কোরবানির পশুর মাংস কাটা দেখছে, কেউ কেউ বড়দের কাজেও সহায়তা করছে।
জে আই