দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার গৃহকর্মী আয়েশা আদালতে দায় স্বীকার করেছেন। আদালত জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশীতা ইসলামের আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এর আগে ছয় দিনের রিমান্ড শেষে আয়েশাকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম আসামির স্বীকারোক্তি গ্রহণের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
পুলিশ জানায়, ছয় দিনের রিমান্ড শেষে আয়েশাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম আসামির স্বীকারোক্তি নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চরকয়া গ্রাম থেকে আয়েশা ও তার স্বামী রাব্বি সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ১১ ডিসেম্বর আদালত আয়েশার ছয় দিন এবং রাব্বি সিকদারের তিন দিনের রিমান্ড অনুমোদন দেন।
রিমান্ড শেষে ১৪ ডিসেম্বর রাব্বি সিকদারও আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এ ঘটনায় তদন্তের পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।
এ ঘটনায় নিহত লায়লা ফিরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম গত ৮ ডিসেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন সকালে কর্মস্থলে থাকাকালীন স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সকাল ১১টার দিকে বাসায় ফিরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি স্ত্রীকে গলাকাটা অবস্থায় মৃত এবং মেয়েকে গুরুতর আহত অবস্থায় পান। পরে মেয়েকে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এবি/