দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ নামে এক বৃদ্ধের শরীরে রয়েছে বিভিন্ন সমস্যা। এ ছাড়া হাঁটতেও কষ্ট হয় তার। এসবকে উপেক্ষা করেই এক হাতে লাঠি অন্য হাতে আরেকজনের হাত ধরে হেঁটে তিন তলায় উঠে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তিনি।
ঢাকা-১৭ উপনির্বাচনে সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশানে ৬৫নং কেন্দ্রে ভোট দেন এ শিক্ষক।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ছেলে সজিব ও বাসার গৃহপরিচারিকাকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে আসেন অবসরপ্রাপ্ত আব্দুর রশিদ।
খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ভোট দিতে তৃতীয় তলায় ভোট কক্ষে যেতে হবে তাকে। পথে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ এ আরাফাতের সঙ্গে দেখা হয়। দাঁড়িয়ে তিনি কুশলাদি বিনিময় করেন। কষ্ট করে ভোট দিতে আশায় শিক্ষক আব্দুর রশিদকে ধন্যবাদ জানান মোহাম্মদ এ আরাফাত।
পরে গেট থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে হেঁটে যান লাঠিতে ভর করে। এরপর দুজনের সহযোগিতায় সিঁড়ি বেয়ে ধীরে ধীরে উঠে ভোটকক্ষে প্রবেশ করেন ও নিজের ভোট দেন।
ভোট দিয়ে ফেরার পথে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ। অনেক কষ্টে ভোট দিতে এসেছি শুধু ভালোবাসার টানে। আরাফাত আমার অনুজ সহকর্মী। কথা দিয়েছিলাম, তাই ভোট দিতে এসেছি।
তার ছেলে সজিব গণমাধ্যমকে বলেন, মা হাসপাতালে। বাবাও অসুস্থ। বাবাকে বললাম, তোমার এ অবস্থার মধ্যে ভোট দেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু বাবা নাছোড়বান্দা।
তিনি বললেন, ভোট দেবেনই। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরাফাত ভাইয়ের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক যোগাযোগ রয়েছে। বাবা ও আরাফাত ভাই একসময় সহকর্মী ছিলেন। আইইউবিতে দুজনেই একসঙ্গে অধ্যাপনা করেছেন। বাবা এখন অবসরে, আরাফাত ভাই রাজনীতিতে। বাবার সঙ্গে দেখা করেছেন আরাফাত ভাই। তিনি কথা দিয়েছিলেন ভোট দেবেন। সে কারণেই তার আসা।
সজিব আরও বলেন, আমার আগামীকাল ভোরে ফ্লাইট ছিল। আমি অস্ট্রেলিয়ায় থাকি। ভোটের কারণে ফ্লাইট ক্যানসেল করেছি। মা হাসপাতালে অসুস্থ।