দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তিতুমীর কলেজের জন্য বিশেষ কিছু হচ্ছে না—শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাজধানীর মহাখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।
এই অবস্থান ঘিরে পুরো মহাখালীজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। আমতলী মোড়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে একটি জলকামান।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় কলেজটির শিক্ষার্থীরা মহাখালীর আমতলী থেকে গুলশান অভিমুখের সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে সেখান থেকে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে যানচলাচল।
ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে মহাখালী রেল ক্রসিং হয়ে আমতলী মোড়ে এসে অবস্থান নিয়েছেন। ফলে ইনকামিং ও আউট গোয়িং সব দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুলশান ক্রাইম ডিভিশনের পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে।
এর আগে, আজ একনেক মিটিং শেষে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ৭ কলেজকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি কমিটি কাজ করছে। তবে তিতুমীর কলেজকে বিশেষ কোনো সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, আন্দোলন করা ভালো। তবে জনদুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি দিতে হবে। তিতুমীর কলেজের অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে ফিরে যেতে চায়। তারা জনদুর্ভোগ চায় না। শিক্ষার্থীদের একসময় পরীক্ষায় বসতে হবে। পড়ালেখা না করে পরীক্ষা দিলে তাদের শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ সময় শিক্ষার্থীদের দাবি মুখে সরকার কোনো অযৌক্তিক কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সাত কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একে অপরকে চায় না। তাই এই কলেজগুলোকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় করার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে তবে দাবি বাস্তবায়নে সময় বেঁধে দেওয়া কাঙ্ক্ষিত নয়।
তবে শিক্ষার্থীরা তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
এফএইচ/